| | | | | | | | | |

Sfulinga by Aniruddha Bose

Sfulinga
copyright Sfulinga
by Aniruddha Bose 

Fiction, Bengali
Hardbound, 416 Pages, 462 gms
About: Sfulinga, Aniruddha, Bose, Culture, Bengal, Darkness, Debacle, Prometheus, Phoenix, Humanity

Price: Rs 400/- or US $20

অনিরুদ্ধ বসুর নতুন উপন্যাসটির ভূমিকা লেখার আগে পাণ্ডুলিপিটি পড়ে শেষ করলাম। বইটা পড়ার সময় এবং পড়ার পরে এক অদ্ভুত অনুভূতি হলো। এক কথায় অনুভূতিটা বোঝানো যাবে না। বিরক্তি, রাগ, দুঃখ, হতাশা এবং আশা, সব কিছু আবেগের আঁচে আর যুক্তির ছুরিতে তালগোল পাকিয়ে গলার কাছে একটা অব্যক্ত কান্নার দলা হয়ে আটকে গেল।

সত্যি কথাগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে রীতিমতো সাহস লাগে। সর্বক্ষেত্রে বাঙালির পিছিয়ে যাওয়াটা দুঃখের, কিন্তু ভয়ের নয়। সাময়িক পিছিয়ে পড়াটা জাগতিক নিয়মের মধ্যেই পড়ে। পিছিয়ে পড়লেও আবার এগোনো যায়, যদি ...

এই যদিটাই এক বিরাট প্রশ্নচিহ্ন। এই যদিটা যখন মানসিক ক্লীবত্বে পরিণত হয়, তখনই হয় ভয়। বাংলা এবং বাঙালির ভবিষ্যতের জন্য ভয়। মানসিক জড়তা জন্ম দেয় এক আশ্চর্য উন্নাসিক কূপমণ্ডুকত্ব। তার প্রধান লক্ষণ অতীতকে আঁকড়ে ধরে ভবিষ্যতকে অস্বীকার করা। ‘এই বেশ ভালো আছি’ মানসিকতা যখন মিশে যায় ‘ওল্ড ইজ গোল্ড’ আর ‘আমি বা আমরাই শ্রেষ্ঠ’ মনোভাবের সঙ্গে, তখনই ঘটে একটি ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ বা জাতির অবক্ষয়। তখন কেউ এদিকে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করলে তাকে প্রথমে উপেক্ষা, তারপর বিদ্রুপ এবং তারপর ছোট করার চেষ্টা করা হয়।

 অনিরুদ্ধ বসু তার নতুন উপন্যাস স্ফুলিঙ্গ-তে এই কঠিন অপ্রিয় কাজটি করার চেষ্টা করেছে। কলা বা কৃষ্টি ক্ষেত্রে বাংলা ও বাঙালি যে ক্রমাগত পিছিয়েই যাচ্ছে, মধ্যমেধার রাজত্বে যে নতুন প্রতিভাকে অঙ্কুরেই বিনাশ করে দেওয়ার একটা ঘোর চক্রান্ত চলছে, অনিরুদ্ধ বসুর সাহসী কলমে তা উঠে এসেছে।

কিন্তু অনিরুদ্ধ বসু শুধু কালো রঙটাই দেখায়নি। ঘোর অন্ধকারাচ্ছন্ন শ্মশানভূমি থেকে আলোর পাখি ফিনিক্সের উঠে আসার মতো তার উপন্যাসের প্রটাগনিস্টের লড়াই করে সত্যকে প্রতিষ্ঠা করার গল্পও শুনিয়েছে।

আজ অনিরুদ্ধ বসুর উপন্যাসটির ভূমিকা লিখতে বসে একটাই কামনা করছি, এই কাল্পনিক স্ফূলিঙ্গ সত্যের দাবানলে পরিণত হয়ে বাংলার কৃষ্টিজগতের পূঞ্জীভূত জঞ্জালে খাণ্ডবদহনের সৃষ্টি করুক, যাতে সেই পোড়ামাটির গর্ভ থেকে ফিনিক্সের মতো নতুন প্রজন্মের প্রতিভাশালী অঙ্কুরগুলি জন্মায় এবং কালক্রমে মহীরূহে পরিণত হয়।

আশিস কুমার চট্টোপাধ্যায়
দুর্গাপুর  
আগস্ট ২০১৫

Publications of Aniruddha Bose:

Anweshan

Dekha (Third Edition)

Nishabde (Second Edition)

Chakra (Second Edition)

Tomake (Second Edition)

The Vision

Pursuit (Second Edition)

Fulcrum

Quest

Canvase

The Moment

Sfulinga

Canvas

Eternal Mayhem

Alo Andhar

Conundrum

Shadow

Prohelika

Complete Works of Aniruddha Bose (Volume 1)

Complete Works of Aniruddha Bose (Volume 2)

Complete Works of Aniruddha Bose (Volume 3)

If...

Complete Works of Aniruddha Bose (Volume 4)

Murder In The Time of Corona

Spark

Complete Works of Aniruddha Bose (Volume 5)

Anusaran

Reviews

স্ফুলিঙ্গ 

-স্বপন দাস (সাংবাদিক) 

যে কোন সাহিত্য সৃষ্টির মধ্যে অন্তর্নিহিত থাকে সেই সময়কার ইতিহাস। স্ফুলিঙ্গের ক্ষেত্রে বলা যায় একটি দলিল, যা কি না রক্ষিত করেছে আজকের সমাজের কালো সাদায় মেলানো দিকগুলোকে। কিছু ব্যাক্তি স্বত্তার মুখের সঙ্গে তিনি কাল্পনিক চরিত্র হিসাবে পরিচয় ঘটিয়েছেন। যেটা একেবারেই বাস্তবের ছবি। এটি হয়ত সেই ক্ষেত্রে কিছু মানুষের কাছে অপছন্দের বিষয় হতেই পারে। তবুও বলা যায় অনিরুদ্ধ বসু স্ফুলিঙ্গের মধ্যে দিয়ে আজকের ইতিহাস ধরে রাখলেন।

 

-by Swapan Das


স্ফুলিঙ্গ নয় দাবানল........

- শান্তুনু চক্রবর্তী      

যখন এক অদ্ভুত সন্ধিক্ষনে দাঁড়িয়ে ঠিক সেই সময় হাতে এসে পড়ে, স্ফুলিঙ্গ। লেখক আমার পূর্ব পরিচিত। পেশায় কসমেটিক সার্জেন। তাই ছুরি-কাচিঁর মতো উনার কলম আর চিন্তাধারার নিখুঁত পরিবেশন। লেখকের  অন্বেষণ, নিঃশব্দে, দেখা, চক্র, ক্যানভাসে, তোমাকে, পারসিউট। একের মধ্য অনন্য । ভিন্ন মাত্রার, ভিন্ন স্বাদের। একসময় বাংলা সাহিত্য, সঙ্গীত, সিনেমা, সংবাদপত্রের কদর ছিলো আকাশছোঁয়া। কিন্তু, আজ কোথায় সেই স্বর্ণযুগ? আজকে বাজার নামের বিষফোঁড়া অনেক নামী, অনামি লেখকরা স্ফুলিঙ্গের মতো বিষয় নিয়ে লেখার সাহস দেখান না। কিন্তু, কেন? আসলে সবটাই গোপাল ভাঁড়ের গল্পের গা চাটাচাটির মতো ব্যাপার। এঁরা প্রায় প্রত্যেকে মিডিয়ার প্রসাদভোগী। তাই আজকাল বইমেলাতে বই এর বদলে খাবার স্টলে ভীড় বেশী চোখে পড়ে। মিডিয়ার নিউজ পেগের মতো মরা কান্নার রুদালি লেখকদের ভিড় থেকে অনিরুদ্ধ বসুর সাম্প্রতিক উপন্যাস স্ফুলিঙ্গ অনেক আলাদা। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা করার সুবাদে, ধান্দাবাজ শোভন রায়চৌধুরী, অঞ্জন বন্দোপাধ্যায়, প্রদীপ গোয়েঙ্কা, অবন্তী, গজেন্দ্র ধনি, পদ্মপর্ণা, মনিকান্ত মোহতা, ধূর্জটি রায় এবং মিডিয়া টাইকুন দিগ্বিজয় ভট্টাচার্যদের আমি হাড়েহাড়ে চিনি। এটা গল্প নয়, রিয়েলিটি। হ্যাঁ, এটাই আজকের মিডিয়ার  কদর্য, পাঁকে কাদায় পরিপূর্ণ  মিডিয়ার আসলি ছবি। ফিল্ম, সাহিত্য, খবরের কাগজ, বৈদ্যুতিন মাধ্যম সবেতেই অস্বাস্থ্যকর ঘিনঘিনে অবক্ষয়ের অন্ধকারে প্রস্তুত গোল গোল লাড্ডু পাঠক-দর্শকদের গেলানো হচ্ছে। স্ফুলিঙ্গ অপটু, অশিক্ষিত, রুগ্ন শিল্পের কারখানায় পরিণত হতে চলা মিডিয়ার দালালদের চেনানো ছাড়াও দেওয়ালির মতো প্রটাগনিস্টকে দিয়ে এর একটা সমাধান সুত্র দিয়েছেন লেখক। যা অনেকটাই পাঁকে পদ্মের মতো। বাস্তবে এমনটা হলে ভালোই হতো। আজকাল যারা বাঁজা জমিতে সংস্কৃতির চাষ করছেন, তাদের বলি একটু নতুন কিছু ভাবুন? আসলে এই অন্ধকার থেকে বাঁচতে স্ফুলিঙ্গ যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন দাবানলের।।

-by Santanu Chackravarty


Sfulinga Promotion

-by You Tube


Media


Ekdin
01-Sep-2018

Social Media
12-Jul-2016

Saptahik Barman 30-7-16
30-Jul-2015